Wednesday, January 13, 2016

ক্বাবুছ বিন সুলতান ‪ওমানের‬ বাদশাহ

ক্বাবুছ বিন সুলতান ওমানের‬ বাদশাহ


ক্বাবুছ বিন সুলতান ওমানের‬ বাদশাহ

Monday, November 9, 2015

অপু বিশ্বাসের গর্ভে এ কার সন্তান

বেশ কয়েক বছর আগেও জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন অপু বিশ্বাস। সময়ের নির্ভরযোগ্য নায়িকা অপু বিশ্বাস এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছেন। শাকিব খান নির্ভর হওয়াতেই এমনটা ঘটছে বলে মনে করেন অপুর সমালোচকরা। তবে যার উপরই অপু নির্ভর করেন না কেন অপুর এখন মন্দা সময়ই বলা যায়।


২ বছর বিরতির পর নিজেকে আবারো লাইমলাইটে আসার চেষ্টা করলেও ব্যবসা সফল কোনো ছবিই উপহার দিতে পারছেন না অপু। ফলে ধীরে ধীরে চাহিদা কমতে শুরু করেছে তার।

রুপালী পর্দায় নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখার সংগ্রামেই এখন ব্যস্ত তিনি। আর তাই রেমুনেশন নয়, উপস্থিতিটাই তার কাছে মুখ্য। এমনকি শাকিব খানের গন্ডি থেকে বেরিয়ে নতুন নায়কদের সঙ্গে অভিনয় করার কথাও ইতোমধ্যে ভেবেছেন এ গ্লামার গার্ল। এসব কারণে একসময় ছবি প্রতি ৭-৮ লাখ টাকা রেমুনেশন নিলেও এখন নিচ্ছেন ৩-৪ লাখ টাকা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পরিচালক বলেন, ‘সিনেমা মন্দার এ সময়ে অপুর প্রভাব সবার উপরেই পড়ছে। আর শাকিব খানের ছবিতে শাকিব খানকেই সবাই হাইলাইট করে সেখানে নায়িকার তেমন ভূমিকা থাকে না। তাই এখন কম পারিশ্রমিকেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে অপুকে।

এদিকে, আগামী বছরের শুরুতে এক সিনেমায় অভিনয় করছেন নায়িকা অপু যেখানে তাকে অবৈধ সন্তানের মা হিসেবে দেখা যাবে বলেও জানিয়েছেন সে পরিচালক। ইতিমধ্যে ৩ লাখ টাকায় সিনেমাটিতে কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন অপু বিশ্বাস

Monday, November 2, 2015

পঞ্চাশে পা রাখলেন শাহরুখ

বলিউডের 'কিং খান' শাহরুখ আজ ২ নভেম্বর পঞ্চাশ বছরে পা রাখলেন। এ অভিনেতার ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের ভক্তেরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্ত্রী গৌরী, তিন সন্তান, পরিবারের অন্য সদস্যরা ছাড়াও বলিউডের সহকর্মী, স্বজন ও ঘনিষ্ঠজন ও ভক্তরা জন্মদিন উপলক্ষে এ অভিনেতাকে শুভেচ্ছা জানান। জন্মদিন উপলক্ষে এ অভিনেতা এক নজর দেখতে এবং তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে মুম্বাইতে শাহরুখের বাসভবন মান্নাতের বাইরে ভিড় করেছিল অসংখ্য ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী।

রাত বারোটার পর মান্নাতে স্ত্রী গৌরী, দুই ছেলে আরিয়ান ও আব্রাম এবং মেয়ে সুহানাকে সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন শাহরুখ। এর পরপরই জন্মদিন উদ্‌যাপন নিয়ে তাঁর প্রথম টুইটটি করেন শাহরুখ। টুইট বার্তায় বলিউডের এই তারকা অভিনেতা জানান, এই মুহূর্তে অত্যন্ত ভালো লাগছে আমার। জন্মদিন উপলক্ষে সবাই যে ভালোবাসা, আন্তরিকতা দেখিয়েছেন আমি তাতে মুগ্ধ।

মান্নাতের বাইরে মাঝরাতেও অসংখ্য শাহরুখ-ভক্ত জড়ো হয়েছিলেন তাঁদের প্রাণপ্রিয় এই অভিনেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে। ভক্তদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশে বিহ্বল শাহরুখ মান্নাতের সামনে জড়ো হওয়া উচ্ছ্বসিত ভক্তদের ছবি পোস্ট করার পাশাপাশি ফেসবুক পেজে একটি ভিডিওচিত্রও পোস্ট করেছেন। ভিডিওচিত্রটিতে দেখা যাচ্ছে, মান্নাতের বাইরে অপেক্ষমাণ অসংখ্য ভক্ত এ অভিনেতাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। তাঁদের আনন্দ আর উচ্ছ্বাস শাহরুখের পোস্ট করা এই ভিডিওচিত্রটিতে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।

এদিকে, শাহরুখ খানের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর 'ফ্যান' ছবিটির দ্বিতীয় টিজারটি মুক্তি পেয়েছে। ফ্যান ছবিটি নির্মিত হয়েছে এই তারকা অভিনেতার জীবনকে নিয়েই।

জন্মদিন উপলক্ষে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী সবাইকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানতে বেশ কয়েকটি টুইটও করেছেন শাহরুখ। সেসব টুইটে তিনি তাঁকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

বিশ্বজুড়ে যার লাখো ভক্ত, কোটি মানুষের তারকা যে মানুষটি; সেই শাহরুখ খানের ‘তারকা’ কিন্তু তাঁর মা। এ অভিনেতা তাঁর আত্মজীবনীতে জানিয়েছিলেন, তাঁর একটাই দুঃখ, অভিনয়শিল্পী হিসেবে এ অভিনেতার সাফল্য তাঁর মা দেখে যেতে পারেননি।

আত্মজীবনীতে শাহরুখ খান লিখেছিলেন, যখন অভিনয়ের জন্য প্রথম পুরস্কার পাই, তত দিনে আমাকে ছেড়ে চলে গেছেন তিনি (১৯৯০ সালে)। মার অনুপস্থিতি খুব মিস করি। মা-ই আমার জীবনের 'তারকা'। আমি জানি, মা আমাকে কখনো চোখের আড়াল করবেন না। আমি যা কিছু পেয়েছি, যা কিছু করেছি, এ সবই তাঁর আশীর্বাদ ছাড়া আর কিছু নয়।

জন্মদিনের উচ্ছ্বাস-আনন্দ-শুভেচ্ছার ভিড় ঠেলে প্রিয়তম মার কথাও নিশ্চয়ই স্মরণ করেছিলেন এই তারকা অভিনেতা। কেননা মা-ই তো তাঁর জীবনের তারকা।

Wednesday, October 28, 2015

নতুন বন্ড আসছে ঢাকায়

যুক্তরাজ্য দাপিয়ে বেড়াচ্ছে জেমস বন্ড সিরিজের নতুন ছবি স্পেক্টর। সেখানে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ২৬ অক্টোবর। কিন্তু বিশ্ববাসী ছবিটি দেখার জন্য এখনো অপেক্ষা করছে তীর্থের কাকের মতো। ৬ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি পাবে স্যাম মেন্ডেস পরিচালিত এই ছবিটি। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের মতো একই দিনে বাংলাদেশেও এ ছবিটি মুক্তি পাবে। রাজধানীর দুটি মাল্টিপ্লেক্সে স্পেক্টর-এর প্রদর্শনী শুরু হবে ৬ নভেম্বর থেকেই। দুটি মাল্টিপ্লেক্স থেকেই পাওয়া গেছে এমন খবর।

ড্যানিয়েল ক্রেইগ অভিনীত এবারের বন্ড ছবি নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই এ দেশের সিনেমাপ্রেমীদের। সে কথা মাথায় রেখেই শহরের মাল্টিপ্লেক্সগুলো ‘এজেন্ট ০০৭’-কে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি মাল্টিপ্লেক্সের কর্মকর্তা বলেন, ‘ছবি মুক্তির আগে এর একটি জমকালো উদ্বোধনী প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। তবে ভাবনাটি এখনো রয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে। নতুন বন্ড ছবিকে শহরের দর্শকদের সামনে প্রদর্শনের প্রস্তুতি চলছে জোরেশোরে।’ অন্য আরেকটি মাল্টিপ্লেক্সের কর্মকর্তা বলেন, জেমস বন্ডের নতুন ছবি স্পেক্টর-এর পরই শহরে আসবে হাঙ্গার গেমস সিরিজের নতুন ছবিটিও।

রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টার সিনেমাসে স্পেক্টর মুক্তি পাবে বলে এ পর্যন্ত পাওয়া খবরে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তা ছাড়া আগামীকাল থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সে চলবে প্যারানরমাল অ্যাকটিভিটি: দ্য ঘোস্ট ডাইমেনশন এবং ব্লকবাস্টার সিনেমাসে মুক্তি পাবে দ্য লাস্ট উইচ হান্টার ছবিটি।

আবারও অসুস্থ দিতি

আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন চিত্রনায়িকা দিতি। কেমোথেরাপি-পরবর্তী শারীরিক সমস্যা বেড়ে গেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে মুঠোফোনে দিতির মেয়ে লামিয়া বলেন, ‘কেমোথেরাপি নেওয়ার পর নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হয়। আমাদের এ ব্যাপারে চিকিৎসকেরা কিছুটা ধারণা দিয়েছেন। তবে মায়ের সমস্যা একটু বেশি মনে হচ্ছে। শিগগিরই তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করার কথা ভাবছি। শারীরিক অবস্থা কিছুটা অনুকূল হলে আমরা মাকে আবার চেন্নাই নিয়ে যাব।’

লামিয়া আরও বলেন, ‘মাকে নিয়ে সবার বিভিন্ন প্রশ্ন শুনে শুনে আমরা বিব্রত হচ্ছি। আমরা মাকে সুস্থ করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সব চেষ্টা করছি। অসুস্থতা নয়, মায়ের ভালো খবরগুলো সবাইকে জানাতে চাই। এ কারণেই গণমাধ্যম থেকে আমরা একটু দূরে থাকতে চাইছি। সবাই আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’ লামিয়ার সঙ্গে যখন কথা হয়, দিতি তখন তাঁর বাসায় ছিলেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফিরেছেন।

গত ২৯ জুলাই চেন্নাইয়ে মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অব অর্থোপেডিকস অ্যান্ড ট্রমাটোলজিতে (এমআইওটি) দিতির মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। এর আগে ঢাকায় অসুস্থ হয়ে পড়েন দিতি। তখন তাঁর মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। এরপর ২৫ জুলাই তাঁকে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয়।

এখন স্বামীর সঙ্গে ফটোশুট

বিয়ে করে এখন পুরোদস্তুর সংসারী ২০০৬ সালের ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতার প্রথম রানারআপ অভিনয়শিল্পী বিন্দু। বিয়ের আগেই দূরে সরে যান টিভি নাটক থেকে। বিয়ের পরও তাঁকে আর সেভাবে টিভিতে দেখা যায়নি। এড়িয়ে চলেছেন গণমাধ্যমকেও। একসময়ের আলোচিত এই অভিনেত্রী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আছেন। গতকাল রোববার দুপুরে হঠাৎ করেই ভাইবারে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। কথোপকথনে উঠে আসে সংসার ও তাঁর কাজে ফেরার ভাবনা নিয়ে নানা কথা।

অনেক দিন আপনার কোনো খোঁজখবর নেই। কেমন আছেন?
আমি আমার মতো করেই আছি। অনেক ভালো আছি। শ্বশুরবাড়ির সবাই আমাকে নিজেদের মেয়ের মতো দেখেন।
নিউইয়র্কে গেলেন কেন?
আমার স্বামী আসিফ সালাউদ্দিনের ব্যবসায়িক কাজ ছিল। সম্প্রতি আমার মা–বাবাও নিউইয়র্কে এসেছেন। সব মিলিয়ে এখানে আসা। ২৪ অক্টোবর ছিল আমার প্রথম বিবাহবার্ষিকী। প্রথম বিবাহবার্ষিকী যে এখানে পালন করতে হবে, তা ভাবিনি। এক সুযোগে সেটাও পালন করে ফেললাম।
বিবাহবার্ষিকী কাটালেন কীভাবে?
সেভাবে কিছুই করা হয়নি। দুজন মিলে ঘুরেছি। আড্ডা দিয়েছি। সবচেয়ে ভালো লেগেছে ওই দিন ফটোশুট করে। আগেও ফটোশুট করতাম, এখনো ফটোশুট করি! তফাত হচ্ছে একটাই, এখন স্বামীর সঙ্গে ফটোশুট করি। এটা যে কী পরিমাণ আনন্দের ছিল, তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। তবে ২৬ অক্টোবর আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করছি।
ঢাকায় ফিরছেন কবে?
২৯ অক্টোবর ঢাকায় ফিরব।
দেশে ফিরে কি নাটকের কাজ শুরু করবেন?
এখনো সেভাবে ভাবছি না। তবে দর্শকদের অনেক বেশি মিস করি। সত্যি কথা বলতে, এখনকার জীবনের সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা হয় না। আমি অসম্ভব ভালো আছি। সংসারজীবন দারুণ আনন্দে কাটছে।
ফেসবুকে আপনাদের বেড়ানোর অনেক ছবি দেখা যাচ্ছে।
নিউইয়র্কে এসে রোমানা (অভিনেত্রী) আপুর সঙ্গে দেখা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে অনেকটা সময় কেটেছে। আমরা একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি। তারই ছবি আপু পোস্ট করেছেন।
সাক্ষাৎকার: মনজুর কাদের

প্রথম ক্রাশ খেয়েছি এক বিদেশির সঙ্গে

ভীষণ লাজুক আমি। কারণ ছাড়াই যেন লজ্জা পেয়ে বসি। প্রথম ক্রাশ খেয়েছি এক বিদেশির সঙ্গে। আমি তখন আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে মাত্র ভর্তি হয়েছি। ২০০১-০২ সালের ঘটনা। আমার বোন লন্ডন থেকে এসেছে। সঙ্গে এসেছে তার এক সহপাঠী বন্ধু। আমি আপুর বাসায় বেড়াতে গেছি। সেখানেই ছেলেটার সঙ্গে পরিচয়। তাকে দেখার পর আমার মধ্যে কেমন যেন এক অনুভূতি তৈরি হয়। অনেক মেয়েই মনে মনে একটা ছেলেকে কল্পনা করে। ছেলেটিকে দেখে মনে হলো, আমি যেন কল্পনার সেই ছেলেটির দেখা পেয়েছি। কারণ, আমি যে ছেলেটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে কল্পনা করেছি, ভেবেছি সে হবে ধার্মিক আর পরিবারের সবার যত্ন নেবে, খেয়াল রাখবে। ছেলেটি আসলেই সে রকম। কিন্তু তার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। অন্যতম কারণ, আমার লাজুক স্বভাব। এরপর তার সঙ্গে আরও দেখা হয়েছে। কিন্তু প্রেম বলতে যা সবাই বুঝি, তেমনটা হয়নি। আমাদের সে সুযোগ ছিল না। সত্যি বলছি, আমার জীবনে প্রেম আসে এর পরই। আসলে মানুষের জীবনে প্রেম শুধু একবারই আসে না, বহুবার আসে। এর মধ্যে প্রথম প্রেম আর সত্যিকারের প্রেম দুটি আলাদা। যার সঙ্গে প্রথম প্রেম হয়েছিল, সেই ছেলেটি দেশের বাইরে থাকত। নাম, থাক না। বলতে চাচ্ছি না। কারণ, তার পারিবারিক জীবনে সমস্যা হতে পারে। প্রেমের শুরুর দিকে খুব ভালো লাগা ছিল। পরে নানা কারণে আমাদের সম্পর্ক বেশি দূর যায়নি। আমাদের দুজনের জীবন দুই ধরনের। আমরা আলাদা হয়ে যাই। কিন্তু এটা ঠিক, আমাদের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা এখনো অটুট আছে। এটা আমার কাছে নিষ্পাপ প্রেমের মতো। আর সত্যিকারের প্রেম বলতে বুঝি, স্বামীর সঙ্গে ভালোবাসা। এটাই হওয়া উচিত। এটাই টিকে থাকে।